Uma cidade utópica de ficção científica surgiu de repente, com os olhos do mundo inteiro voltados para ela. Mas sob o vaivém da agitação e da prosperidade, crimes, violência, sujeira, pobreza, a natureza humana e a luta por interesses e classes surgem ininterruptamente. Assim se desenrola uma trama antiutópica de proporções épicas, mas que vai muito além da rebelião. Cyberpunk, uma cidade-estado, detalhes extremos, incomparável!
(১/৩) পৃষ্ঠা
অপরাজেয় দৃষ্টি, আন্তরিক নিবেদন।
২০৭৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি, রাত বারোটা, হালকা বৃষ্টি, রোলস এলাকা, লাইসফো রোড।
একটি লিংকন ন্যাভিগেটর এসইউভি দু’দিকে হ্যাজার্ড লাইট জ্বালিয়ে রাস্তার ধারে পার্কিং লটে দাঁড়িয়ে আছে। গাড়িটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রায় নিখুঁত, দূর থেকে দেখে মনে হয় যেন পুরোপুরি সজ্জিত একটি সাঁজোয়া যান। কার্বন ফাইবারের ইঞ্জিন কভারে খোদাই করা রয়েছে এক বিশালাকৃতির ড্রাগনের মাথা, দৃষ্টিতে চরম হিংস্রতা, যেন জীবন্ত। তার নিচে বড় বড় অক্ষরে লেখা ‘শিচুয়াং’—শিল্পসুষমায় পরিপূর্ণ। নিচে ইংরেজিতে ‘SHICHYANG’—ঝলমলে এবং শুদ্ধতায় দীপ্তিমান।
শিচুয়াং-এর পূর্ণ নাম শিচুয়াং সামরিক প্রযুক্তি, এটি একদল চীনা বংশোদ্ভূত উদ্যোক্তার প্রতিষ্ঠিত সংস্থা এবং ফেডারেশন সিটির অন্যতম প্রধান বৃহৎ কোম্পানি। বয়সে তুলনায় নবীন, তবে শেয়ারমূল্য এবং আয় বিবেচনায় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের সমান কিংবা তাদের চেয়েও শক্তিশালী।
চারপাশের জরাজীর্ণ পরিবেশ ও এই বিলাসবহুল ন্যাভিগেটর কোনোভাবেই মানানসই নয়, কারণ রোলস এলাকা মূলত বস্তি।
ফেডারেশন সিটির চারপাশে বিস্তৃত এক বিশাল কৃত্রিম মরুভূমি—কোল্টন ডেডল্যান্ডস, যা সংযুক্ত করেছে শহরের চারটি এলাকা—ধোঁয়াটে, দুর্গন্ধময় বস্তি ‘রোলস’, বিত্তবানের এলাকা ‘ম্যানসিট’, যৌনতার জন্য বিখ্যাত ‘রেড লাইট টোকিও’, এবং পর্যটনস্বর্গ ‘বোরিকলভিয়া’। অন্য কোনো শহর থেকে স্থলপথে ফেডারেশন সিটিতে প্রবেশ করতে হলে ডেডল্যান্ডস পাড়ি দিতেই হবে।
চারটি অঞ্চলের প্রতিটিতে রয়েছে সীমান্ত চেকপোস্ট। শহরে ঢোকার জন্য প্রথমে মৌলিক তথ্য জমা দিতে হয়, তারপর পাঁচটি শীর্ষ কোম্পানির যে কোনো একটির সিলমোহরযুক্ত গ্রীন কার্ড দেখাতে হয়। নকল গ্রীন কার্ড দেখালে আজীবন শহরে প্রবেশ নিষিদ্ধ, গুরুতর হলে কারাদণ্ডও হতে পারে।
গাড়িতে বসে আছে দুইজন। চালকের আসনে একজন চীন-ফরাসি মিশ্র বংশোদ্ভূত,