অ্যাপটি ডাউনলোড করুন এবং সম্পূর্ণ কৃতির পরিচিতি দেখুন।
জুয়ানহাই কারাগার!
এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি ছোট দ্বীপে অবস্থিত কারাগার।
এই কারাগারে শুধু সবচেয়ে ভয়ংকর অপরাধীদের আটক রাখা হয়।
উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, গুপ্তচর, মাদক ব্যবসায়ী, শীর্ষস্থানীয় হত্যাকারী ইত্যাদি।
আর এই নৃশংস অপরাধীরা তখন কারাগারের ভেতর দুই সারিতে ভয়ে কাঁপা কাঁপা অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। মাঝখান দিয়ে এক যুবক হেঁটে যাচ্ছে।
যুবকের বয়স সাতাশের কাছাকাছি। তার চেহারার কোণগুলো যেন ছুরির ফলার মতো তীক্ষ্ণ। সুনিপুণ পাঁচ-তফাৎ সুন্দর এক যুবক। চোখ খুললে গভীর দৃষ্টিতে এক রহস্যময় আভা। সুদর্শন ও রহস্যময়।
যুবকের নাম শিয়াও জিয়াহাও। ইয়ানজিয়া দেশের নানহাই শহরের শিয়াও পরিবারের সন্তান। পাঁচ বছর আগে সে সবে কলেজ পাশ করা যুবক ছিল। শিয়াও পরিবারের ছায়ায় বেড়ে ওঠে। যখন শিয়াও পরিবারের প্রধান অর্থাৎ শিয়াও জিয়াহাও-র দাদা মারা যান, তখন তাকে অপবাদ দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
আসল কথা, শিয়াও জিয়াহাও-কে নানহাই শহরের প্রথম কারাগারে আটক করা হয়েছিল। শুরুতে শিয়াও পরিবারের প্রভাব এত বেশি ছিল যে তারা এক আঙুল নাড়লেই তাকে কারাগারে অর্ধমৃত করতে পারত। শিয়াও জিয়াহাও ভেবেছিল সে কারাগারেই মরবে। কিন্তু একদিন...
শিয়াও জিয়াহাও একটি অদ্ভুত স্বপ্ন দেখল। স্বপ্নে সে শুয়ানতিয়ান গং নামের একটি পদ্ধতি চর্চা করছে। দৃশ্যটা যেন সত্যি ঘটেছিল। ঘুম থেকে উঠে সে সেই পদ্ধতি চেষ্টা করল। দেখল সত্যিই কাজ করছে।
এভাবে ঝগড়াটে সবাইকে হারিয়ে দেওয়ার পর আর কেউ তার কাছে ঘেঁষত না। শুধু তাই নয়, স্বপ্নে সে চিকিৎসা, জাদুবিদ্যা ইত্যাদিও শিখে ফেলল।
তারপর তাকে দেশের গোপন সংস্থা জুয়ানহাই কারাগারে নিয়ে আসে। পাঁচ বছর ধরে শিয়াও জিয়াহাও-র শক্তি ভয়ংকর মাত্রায় পৌঁছেছে। কিন্তু সে কারাগার থেকে পালায়নি। এতদিন থাকার পর এখানকার সাথে তার সম্পর্ক তৈ